বিশেষ প্রতিনিধি:রাজনীতি যার কাছে নিছক পদ-পদবির মোহ নয়, বরং জনগণের নিঃস্বার্থ সেবার অনন্য ব্রত—তিনিই ৩ নং ঘাগড়া ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের দুঃসময়ের বিশ্বস্ত কাণ্ডারি, সাবেক সেনাসদস্য ও ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ইদ্রিস। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের চরম নির্যাতন, একের পর এক মিথ্যা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলার শিকল পায়ে নিয়েও যিনি এক চুল নড়েননি সত্য ও জাতীয়তাবাদী আদর্শের পথ থেকে। দুঃসময়ের এই নির্ভীক হাতিয়ারকে ঘাগড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ আজ তাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান দিয়েছেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সর্বস্তরের আপামর জনতার দাবির মুখে তিনি চেয়ারম্যান পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন। আর প্রার্থী হতেই সমগ্র ঘাগড়া ইউনিয়নে যেন আনন্দের এক নতুন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি দিন-রাত এক করে অবিরাম ছুটে চলছেন সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে, শুনছেন তাদের মনের কথা, ভাগ করে নিচ্ছেন দুঃখ-দুর্দশা।
হাট-বাজার, চা-স্টল, মেঠোপথ কিংবা প্রতিটি পাড়া-মহল্লা—হুমায়ুন কবীর ইদ্রিসের গণসংযোগে বইছে ভালোবাসার জোয়ার। গ্রামের সাধারণ মানুষ তাকে জড়িয়ে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ছেন। শুধু তা-ই নয়; তিনি নিয়মিত ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রতিটি মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, মন্দির ও গির্জায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে তিনি জয় করে নিয়েছেন ঘাগড়া ইউনিয়নের আপামর জনসাধারণের বিপুল সাড়া ও গভীর ভালোবাসা।
ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাটে-বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সাথে কুশল বিনিময়কালে আবেগময় কণ্ঠে হুমায়ুন কবীর ইদ্রিস বলেন, “বিগত কঠিন দিনগুলোতে জেল-জুলুম ও মামলার ভয় আমাকে আপনাদের থেকে আলাদা করতে পারেনি। এই ঘাগড়া ইউনিয়নের প্রতিটি ধূলিকণা এবং প্রতিটি মানুষের সাথে আমার রক্তের আত্মিক টান। আমি ক্ষমতার জন্য নয়, আপনাদের একজন সেবক হিসেবে বাকিটা জীবন পাশে থাকতে চাই। আপনারা যদি আমাকে আপনাদের মূল্যবান সুপরামর্শ ও দোয়া দিয়ে পাশে রাখেন, তবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আপনাদের মতামতকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেব।
তিনি আরও দৃপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য—অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে ৩ নং ঘাগড়া ইউনিয়নকে পুরো বাংলাদেশের মধ্যে একটি আধুনিক, স্বাবলম্বী ও এক নম্বর মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলা। এখানকার প্রতিটি মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, মন্দির ও গির্জার অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং অসহায়, হতদরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই হবে আমার প্রধান কাজ। অতীতেও যেমন আপনাদের পাশে ছিলাম, রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি, ভবিষ্যতেও একইভাবে সেবা করে যাব, ইনশাআল্লাহ।
ঘাগড়া ইউনিয়নের প্রবীণ ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হুমায়ুন কবীর ইদ্রিস কেবল একজন দক্ষ রাজনীতিবিদই নন; সাবেক সেনাসদস্য হিসেবে সততা, দেশপ্রেম ও নিয়মানুবর্তিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে জনমনে যে সাড়া তিনি তৈরি করেছেন, তাতে আসন্ন নির্বাচনে সর্ববৃহৎ জনগণের বিপুল রায়ে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন স্থানীয়রা।
